ইমু'র যাত্রা শুরু (2005) কবে থেকে?

0

 




ইমো অ্যাপ আসলে কবে শুরু?

imo অ্যাপটির যাত্রা শুরু হয় ২০১০ সালের দিকে। এটি প্রথমে একটি ওয়েব-ভিত্তিক ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরি হয়েছিল, যার মূল লক্ষ্য ছিল—

👉 কম ইন্টারনেট স্পিডে ভয়েস ও ভিডিও কল সহজ করা।

২০০৫ সালে স্মার্টফোন অ্যাপ বা আধুনিক ভিডিও কল প্রযুক্তি এতটা উন্নত ছিল না। তাই তখন ইমোর মতো অ্যাপ বাস্তবভাবে চালু হওয়া সম্ভবও ছিল না।

শুরুর দিকের ইমো: একেবারে সাদামাটা

ইমো যখন শুরু হয়, তখন এতে ছিল—

সাধারণ টেক্সট চ্যাট

সীমিত ভয়েস কল

আলাদা করে অ্যাপ না, বরং ব্রাউজার থেকেই ব্যবহারযোগ্য

ধীরে ধীরে ব্যবহারকারীর চাহিদা বুঝে ইমো নিজেদের সিস্টেম আপডেট করতে থাকে।

কেন ইমো দ্রুত জনপ্রিয় হলো?

ইমোর সাফল্যের পেছনে কিছু বাস্তব কারণ আছে—

লো ইন্টারনেটেও কাজ করে

ইমো এমনভাবে ডাটা কমপ্রেস করে যে দুর্বল নেটওয়ার্কেও কল ক্লিয়ার থাকে।

বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশে ফোকাস

যেখানে ইন্টারনেট ধীর বা ব্যয়বহুল, সেখানে ইমো খুব দ্রুত জনপ্রিয় হয়।

সহজ ইন্টারফেস

অ্যাপটি ব্যবহার করতে প্রযুক্তিগত জ্ঞান দরকার পড়ে না।

ফ্রি ভিডিও ও ভয়েস কল

আন্তর্জাতিক কলও প্রায় বিনামূল্যে করা যায়।

অ্যাপ হিসেবে ইমোর উত্থান

২০১০–২০১৪ সালের দিকে ইমো পুরোপুরি অ্যান্ড্রয়েড ও iOS অ্যাপ হিসেবে পরিচিতি পায়। এরপর—

গ্রুপ চ্যাট

ফাইল ও ছবি শেয়ার

স্টিকার ও রিয়্যাকশন

এই ফিচারগুলো যোগ হতে থাকে।

২০০৫ সালের গুজব কেন ছড়িয়েছে?

অনেকে পুরোনো ইন্টারনেট সার্ভিস বা প্রাথমিক আইডিয়া দেখে ধরে নিয়েছেন ইমো ২০০৫ থেকে আছে। বাস্তবে, ইমো নামটি তখনকার কোনো জনপ্রিয় অ্যাপ ছিল না।

উপসংহার

✔ ইমো অ্যাপ ২০০৫ সালে শুরু হয়নি

✔ এর প্রকৃত যাত্রা শুরু ২০১০ সালের দিকে

✔ কম ডাটা ব্যবহারের কারণে এটি আজও বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়

ইমো প্রমাণ করেছে—বড় ফিচার নয়, ব্যবহারকারীর বাস্তব সমস্যার সমাধানই একটি অ্যাপকে সফল করে।



Post a Comment

0 Comments

Post a Comment (0)
2/related/default