🗳️ গণভোট ২০২৬: মূল তথ্য
- ভোটের ধরন: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন আলাদা ব্যালটে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে
📜 গণভোটে প্রস্তাবিত পরিবর্তনসমূহ
যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হয়, সংবিধানে নিম্নলিখিত পরিবর্তন আসবে:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন জুলাই সনদের প্রক্রিয়ায় গঠিত হবে।
- দুই কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠিত হবে।
- প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
- বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
- সংবিধান সংশোধনে গণভোট বাধ্যতামূলক হবে
✅ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে কী সুবিধা
- স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন
- বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত
- দীর্ঘমেয়াদি একক ক্ষমতা সীমিতকরণ
❌ ‘না’ ভোট দিলে কী হবে
- বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামো বহাল থাকবে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সংসদ সংস্কার কার্যকর হবে না।
- প্রধানমন্ত্রী পদে মেয়াদসীমা থাকবে না।
⚠️ ঝুঁকি ও বিবেচনা
- রাজনৈতিক বিভাজন: ‘হ্যাঁ’ বনাম ‘না’ প্রচারণা সমাজে বিভক্তি বাড়াতে পারে।
- প্রশাসনিক জটিলতা: নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় ও সম্পদ প্রয়োজন।
- জনসচেতনতা: ভোটারদের সঠিক তথ্য জানা জরুরি, যাতে বিভ্রান্তি বা গুজবের শিকার না হন।
